- চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৬ দফা দাবিতে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার সমাবেশ ও র্যালি
- নওগাঁয় রাতের আঁধারে ৪.৫ বিঘা জমির ফসল নষ্ট, দিশেহারা কৃষক
- যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতিতে বাতিল ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসএসসিতে অকৃতকার্য হয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যা
- এসএসসিতে সাতক্ষীরার ৪ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল, নেপথ্যে শিক্ষক সংকট
- খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
- বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
- ডিমলায় জুয়ার আসরে অভিযান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কসহ গ্রেপ্তার ৮
- ট্রাইব্যুনালের আদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার মেজর (অব.) মোজাফফর
- পৌনে দুই ঘণ্টা পর ধরা পড়ল ভুল
- রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ঠিক রেখেছে জামায়াত : মাহমুদা মিতু
- ঈদের ছুটি শেষে কাল স্বাভাবিক হচ্ছে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার
- পিকআপ-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলের মৃত্যু
- দল বদল করছি না,পল্টি দেওয়ার অভ্যাস আমার নেই: সাকিব
আসছে ৭০ বিলিয়ন ইউরোর সামরিক সহায়তা
আগামী ৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের জন্য ২০২৬ সালে ৭০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে জোটটি। শুক্রবার ন্যাটো রাষ্ট্রদূতদের অনুমোদিত এবং রয়টার্সের পর্যালোচনা করা এক খসড়া ঘোষণাপত্রে এ তথ্য উঠে এসেছে।
তবে খসড়া ঘোষণাপত্রটি কার্যকর হতে সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন।
খসড়া অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ইউক্রেনকে ৭০ বিলিয়ন ইউরো সামরিক সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ২০২৭ সালেও অন্তত একই পরিমাণ সহায়তা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করা হবে।
ঘোষণাপত্রে ন্যাটোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নীতির প্রতি সদস্য দেশগুলোর অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ন্যাটো চুক্তির অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে তা পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সম্মিলিতভাবে তার জবাব দেওয়া হবে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং ইউরোপের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি ন্যাটোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।
তবে নতুন খসড়া ঘোষণাপত্রে যুক্তরাষ্ট্রসহ ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশের রাষ্ট্রদূত যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। এতে আরও বলা হয়েছে, শক্তিশালী ন্যাটোর মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ইউরোপ গড়ে তোলা হবে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর পাশাপাশি কানাডা জোটের নিরাপত্তায় আরও বড় ভূমিকা পালন করবে।
এ ছাড়া খসড়া ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের হাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে তেহরানের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।